
প্রবীণ বয়সে উপনীত হওয়া মানুষগুলো তাঁদের জীবনে নিকট অতীতে ফেলে আসা দিনগুলোতে এক সময় তাদের কর্মময় জীবন-যৌবন উৎসর্গ করেছেন পরিবার, সমাজ তথা রাস্ট্রের সার্বিক উন্নয়নে। কাজেই বৃদ্ধ বয়সে তাদের সুখ স্বাচ্ছন্দ আর নিরাপত্তার জন্য আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে। সে জন্য প্রয়োজন- প্রবীণদের দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং স্বাস্থ্য পরিচর্যা করা।
Ø বয়স বাড়ার সাথে সাথে উদ্দীপনা ও শারীরিক শক্তি কমে যায় তাই প্রবীণদের পুষ্টির প্রতি নজর দেয়া;
Ø প্রবীণদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো;
Ø সন্তানদের বাবা-মায়ের প্রতি সহনশীল হওয়া এবং সব সময় তাদের পাশে থাকার জন্য পরামর্শ প্রদান;
Ø বয়স্ক ভাতা প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানে বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর পরিধি বৃদ্ধি করা;
Ø স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের মাধ্যমে প্রবীণ ব্যক্তিদের বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তাবায়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা;
Øজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে উজ্জ্বল অবদানে স্বীকৃতি স্বরূপ প্রবীণদের বিশেষ সম্মাননা প্রদানের ব্যবস্থা করা ও এককালীন আর্থিক সুবিধা প্রদান করা;
Øপ্রবীণ ব্যক্তিগণের অবসর সময় যাপনের কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে- পত্রিকা পড়া, খেলাধূলা, টেলিভিশন, আলোচনা প্রভৃতির ব্যবস্থা করা;
Ø ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রবীণদের প্রতি পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা।











